২০১৯ সালের জুলাই থেকে ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত পাঁচ বছর দেশের অর্থনৈতিক অঞ্চল ও হাই-টেক পার্কে অর্থায়নের উৎস ও পণ্য উৎপাদন বিষয়ে বিনা প্রশ্নে মাত্র ১০ শতাংশ কর দিয়ে বিনিয়োগের সুযোগ দিয়েছিল সরকার।

২০১৯ সালের জুলাই থেকে ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত পাঁচ বছর দেশের অর্থনৈতিক অঞ্চল ও হাই-টেক পার্কে অর্থায়নের উৎস ও পণ্য উৎপাদন বিষয়ে বিনা প্রশ্নে মাত্র ১০ শতাংশ কর দিয়ে বিনিয়োগের সুযোগ দিয়েছিল সরকার। তবে তাতে খুব একটা সাড়া মেলেনি। একইভাবে নতুন শিল্প-কারখানা গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও মাত্র ১০ শতাংশ করের বিনিময়ে আয়ের উৎস নিয়ে বিনা প্রশ্নে বিনিয়োগের সুযোগ রাখা হয়েছিল। ২০২১ সালের জুলাই থেকে ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত এ সুবিধা বহাল রাখা হয়। এক্ষেত্রেও তেমন সাড়া মেলেনি। এখন পর্যন্ত দেশে সরকারের দেয়া সুযোগ কাজে লাগিয়ে কালো টাকা সাদা করা হয়েছে মূলত জমি, ফ্ল্যাট, এফডিআর, পুঁজিবাজার, সঞ্চয়পত্রে ব্যক্তি পর্যায়ের বিনিয়োগের মাধ্যমে।

শিল্প খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে অর্থনীতির মূল ধারায় অপ্রদর্শিত আয় বৈধ করার নজির তেমন একটা না থাকার কারণ সম্পর্কে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ খাতে যে কালো টাকা তৈরি হয়, সেটি দেশের বাইরে পাচার হয়ে যায়। ফলে শিল্পে বিনিয়োগের মাধ্যমে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেয়া হলেও এতে সাড়া পাওয়া যায় না। আবার বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করে সরকারি সংস্থাগুলোর নজরে পড়তে না চাওয়ার বিষয়টিও এক্ষেত্রে ভূমিকা রেখেছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্য বলছে, দেশে এখন পর্যন্ত ৫০ হাজার কোটি টাকার মতো কালো টাকা সাদা করা হয়েছে। তবে কালো টাকার প্রকৃত পরিমাণ এর চেয়ে অনেক বেশি। অর্থ মন্ত্রণালয়ের ২০১১ সালের এক জরিপে দেখা গেছে, দেশের অর্থনীতিতে ১৯৭৩ সালে কালো টাকা ছিল জিডিপির ৭ শতাংশের সমপরিমাণ। ১৯৯০ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত গড়ে কালো টাকার পরিমাণ ছিল জিডিপির ৩৬ দশমিক ৬ শতাংশ। ২০১০ সালে তা সর্বোচ্চ প্রায় ৬৩ শতাংশে দাঁড়ায়। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) এক গবেষণার তথ্য অনুসারে, দেশে কালো টাকার পরিমাণ জিডিপির ১০ থেকে ৩৮ শতাংশের মধ্যে ওঠা-নামা করে থাকে। ২০১৯ সালে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কর্মকর্তা লিয়ান্দ্রো মেডিনা ও অস্ট্রিয়ার অধ্যাপক ফ্রেডারিক স্নাইডার ‘শেডিং লাইট অন দ্য শ্যাডো ইকোনমি: এ গ্লোবাল ডাটাবেজ অ্যান্ড দ্য ইন্টারঅ্যাকশন উইথ দ্য অফিশিয়াল ওয়ান’ নামে একটি গবেষণা করেন। এতে বলা হয়, বাংলাদেশে ১৯৯১ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত গড়ে জিডিপির ৩৩ শতাংশের মতো কালো টাকা ছিল। সে হিসেবে অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন রক্ষণাত্মক দৃষ্টিতে বিবেচনা করা হলে দেশে কালো টাকার পরিমাণ ৮ থেকে ১০ লাখ কোটি টাকার মতো হবে।

এনবিআর-সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর ভাষ্যমতে, এখন পর্যন্ত আর্থিক ও প্রপার্টি খাতে ব্যক্তি পর্যায়ের বিনিয়োগের মাধ্যমে অর্থ বৈধ করেছেন মূলত প্রান্তিক ধনীরা। তাদের এসব অর্থবিত্ত বাংলাদেশের অভ্যন্তরেই ছিল। তা রক্ষা করার জন্যই সেটি বৈধ করার পথে হেঁটেছেন তারা। অন্যদিকে শিল্পে বিনিয়োগের মাধ্যমে অপ্রদর্শিত অর্থ বৈধ না হওয়ার বড় একটি কারণ হলো এ খাতের কালো টাকা মূলত দেশের বাইরে পাচার হয়ে যায়। সেটি দেশে ফেরত এনে নতুন করে ব্যবসায় নেমে লোকসানে পড়ার ঝুঁকি নিতে চায় না কেউ। আবার সরকারি সংস্থাগুলোর নজরে পড়ার আশঙ্কাও থাকে।

শিল্প খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে দেশে কী পরিমাণ কালো টাকা সাদা করা হয়েছে এবং এ খাতে কী পরিমাণ রাজস্ব আয় হয়েছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান বণিক বার্তাকে বলেন, ‘তথ্য-প্রমাণ ছাড়া কথা বলা মুশকিল। রেকর্ডপত্রগুলো ডিজিটালাইজড হয়নি। বেশির ভাগ তথ্য-উপাত্ত ম্যানুয়ালি জোগাড় করতে অনেক সময় লাগে। এখন আমরা সব কাজ ডিজিটালাইজ করব, তারপর সহজে তথ্য পাওয়া যাবে। তবে বৃহৎ পরিসরে বলতে গেলে এগুলো (কর অব্যাহতি, করছাড় ও বিশেষ কর সুবিধা) খুব কাজে আসছে, তা বলা যাবে না শুধু ইপিজেড ছাড়া। হাই-টেকেও খুব একটা সাড়া পাওয়া যায়নি।’

এনবিআর গত বছরের ২ সেপ্টেম্বর জারি করা এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সিকিউরিটিজ, নগদ, ব্যাংকে গচ্ছিত অর্থ, আর্থিক স্কিম ও ইনস্ট্রুমেন্ট, সব ধরনের ডিপোজিট বা সেভিং ডিপোজিটের ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ কর দিয়ে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ বাতিলের ঘোষণা দেয়। কিন্তু বাজেটের সময় ঘোষিত আবাসন খাতে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে নির্ধারিত পরিমাণে কর পরিশোধের মাধ্যমে অপ্রদর্শিত পরিসম্পদ (কালো টাকা) প্রদর্শিত (সাদা) করা সংক্রান্ত বিধানটি বহাল রাখা হয়। এলাকাভেদে স্থাপনা, বাড়ি, ফ্ল্যাট, অ্যাপার্টমেন্ট, ফ্লোর স্পেস ও জমি প্রতি বর্গমিটারের বিপরীতে নির্দিষ্ট পরিমাণে কর পরিশোধ করে অপ্রদর্শিত অর্থ প্রদর্শিত করার এ সুযোগ রয়ে গেছে এখনো। এনবিআরের দাবি, স্থাপনা বলতে শিল্পপ্রতিষ্ঠানসহ যেকোনো স্থাপনাই এর মধ্যে পড়বে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আমদানি-রফতানির আড়ালে ও শিল্প খাতের মাধ্যমে যে পরিমাণ কালো টাকা তৈরি হয় সেটি বিদেশে পাচার করে দেয়া হয়ে থাকে। এ কারণে শিল্প খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে কেউ কালো টাকা সাদা করতে এগিয়ে আসে না। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতিবিষয়ক শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির প্রতিবেদনের তথ্যানুসারে, আওয়ামী লীগের গত ১৫ বছরের শাসনামলে বাংলাদেশ থেকে ২৩৪ বিলিয়ন বা ২৩ হাজার ৪০০ কোটি ডলার পাচার হয়েছে। বাংলাদেশী মুদ্রায় পাচারকৃত অর্থের পরিমাণ ২৮ লাখ কোটি টাকারও বেশি।

কালো টাকা শিল্পে বিনিয়োগ করতে গেলে কাস্টমস কর্তৃপক্ষসহ নানা জায়গায় প্রশ্নের সম্মুখীন হওয়ার আশঙ্কা থাকে উল্লেখ করে এনবিআরের সাবেক সদস্য (আয়কর নীতি) মো. আলমগীর হোসেন বণিক বার্তাকে বলেন, ‘যদি ব্যক্তি হিসেবে কর দিয়েই কালো টাকা সাদা করা যায়, তাহলে কোম্পানির মাধ্যমে শিল্পে বিনিয়োগ করে কালো টাকা সাদা করার জটিলতায় কেউ যাবে? শিল্পের জন্য মূলধনি যন্ত্রপাতি আমদানি করতে হয়। তখন কাস্টমস কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও প্রশ্ন করা হতে পারে। তাই আমার মনে হয় এসব জটিলতা এড়ানোর জন্য শিল্পে বিনিয়োগ করে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ নিতে কেউ আগ্রহী হয়নি।’

আগে বাংলাদেশ থেকে অর্থ পাচারের জনপ্রিয় গন্তব্যগুলোর মধ্যে ছিল সুইজারল্যান্ড, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, মালয়েশিয়া, কানাডা ও ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জের করস্বর্গ খ্যাত কিছু দ্বীপরাষ্ট্র। তবে গত কয়েক বছরে অর্থ পাচারের গন্তব্যে বড় পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইসহ মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া বা পূর্ব ইউরোপের মতো দেশগুলোকে অর্থের নিরাপদ গন্তব্য হিসেবে বেছে নিচ্ছে বাংলাদেশী পাচারকারীরা। অনেক রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী, আমলা, পুলিশসহ সরকারি চাকরিজীবী, ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বীমা কোম্পানির চেয়ারম্যান-পরিচালক, ঊর্ধ্বতন ও মাঝারি স্তরের কর্মকর্তা এসব গন্তব্যে দেশ থেকে প্রচুর অর্থ পাচার করছেন।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, শিল্পে লোকসানের ঝুঁকি রয়েছে। এ খাতে কালো টাকা সাদা না হওয়ার এটিও একটা কারণ। আবাসন খাতে সহজ। আবার অনেকেই ফ্ল্যাট কেনে ঘুস দেয়ার জন্য। কিন্তু শিল্প-কারখানায় ঘুস দেয়া যায় না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সাবেক সভাপতি শামস মাহমুদ বণিক বার্তাকে বলেন, ‘কালো টাকা দুইভাবে হয়। একটি হলো আয় বৈধভাবেই হয়েছে কিন্তু ভুলে তা দেখানো হয়নি। আরেকটি হলো অবৈধ আয়। সরকার দুটোকে পৃথক করে দেখায়নি। কালো টাকা সাদা করার পথে এটি বড় একটা বাধা। আবাসন খাতে কালো টাকা সাদা করা সহজ। শিল্পে বিনিয়োগটা জটিল। এক্ষেত্রে বদনাম হয়ে যেতে পারে যে কালো টাকা দিয়ে কারখানা করা হয়েছে। কিন্তু আবাসন খাতে সেটা হয় না। স্ত্রী, মেয়ে বা শাশুড়ির নামে ফ্ল্যাট বা প্লট কিনে সাদা করা যায়।’

কালো টাকার মালিক নয় প্রকৃত বিনিয়োগকারীরাই শিল্পে বড় বিনিয়োগ নিয়ে এগিয়ে আসেন উল্লেখ করে মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোস্তফা কামাল বণিক বার্তাকে বলেন, ‘এ সুবিধা কাজে লাগিয়ে সাধারণত স্বল্পমেয়াদি বিনিয়োগ হয়ে থাকে, যা পরে আবার সরিয়ে নেয়া যায়। কিন্তু শিল্পে বিনিয়োগ হয় দীর্ঘমেয়াদি, যেখানে প্রকৃত বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগ করে থাকেন। যারা কালো টাকা সাদা করেন তারা দেখা যায় ১ কোটি বা ২ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেন কিন্তু শিল্পে বিনিয়োগের পরিমাণ আরো অনেক বেশি হয়ে থাকে। সাধারণত কালো টাকা সাদা করার ক্ষেত্রে যে বিনিয়োগগুলো হয় সেগুলোতে অস্বচ্ছতা থাকে, শিল্পে বিনিয়োগগুলো ব্যাংক থেকে শুরু করে নানা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার বিষয় থাকে। শিল্পে বিনিয়োগের জন্য যে সংগ্রাম-লড়াইয়ের প্রয়োজন হয়, সেদিকে না গিয়ে কালো টাকার মালিকরা সহজ পথ অনুসরণ করেন।

দেশে স্বতন্ত্র অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে ২০১১ সালের নভেম্বরে প্রতিষ্ঠা করা হয় বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)। এরপর সময় পেরিয়েছে এক যুগেরও বেশি। দীর্ঘ এ সময়ে মাত্র ১৯টি অর্থনৈতিক অঞ্চল নির্মাণ বা উৎপাদন পর্যায়ে রয়েছে। গত ২০২৩-২৪ অর্থবছর পর্যন্ত এসব জোনে বিদেশী বিনিয়োগের প্রস্তাব অনুমোদন পেয়েছে দেড় বিলিয়ন (১৫০ কোটি) ডলারের। তবে সর্বশেষ দেশী-বিদেশী বিনিয়োগের মোট পরিমাণ জানাতে পারেনি বেজা কর্তৃপক্ষ। আর বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, গত অর্থবছর পর্যন্ত জোনগুলোয় প্রত্যক্ষ বিদেশী বিনিয়োগ (এফডিআই) এসেছে মাত্র ৭৬ লাখ ডলারের। ২০২২-২৩ অর্থবছরে বিদেশে পাচার হওয়া টাকা ৭ শতাংশ কর দিয়ে বিনা প্রশ্নে দেশে আনার সুযোগ করে দিয়েছিল সরকার। যদিও কেউই এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে বিদেশ থেকে দেশে অর্থ ফেরত আনেননি।

নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বণিক বার্তাকে বলেন, ‘ইকুইটি ইনভেস্টমেন্টের ক্ষেত্রে অনুসরণযোগ্য প্রক্রিয়া অনেক বেড়ে যায়। এসব প্রক্রিয়ায় শনাক্ত হওয়ার পথ তৈরি হয়। শিল্পে কালো টাকা বিনিয়োগ না করার এটা একটা বড় কারণ। অন্যদিকে জমি বা আবাসনে বিনিয়োগে এ ঝুঁকি থাকে না। সামগ্রিকভাবে এ দুটোই বড় কারণ। আর তাছাড়া বিনিয়োগ উপযোগী খাতও বাংলাদেশে নেই বললেই চলে।’

দেশে গত দেড় দশকে সরকারি হাই-টেক ও সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কের অনুমোদন দেয়া হয়েছে ৯২টি। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি পার্ক প্রস্তুত হলেও তাতে পর্যাপ্ত বিনিয়োগ আসেনি। এর মধ্যেই গত চার বছরে নতুন করে আরো ১০টি বেসরকারি পার্কের অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ (বিএইচটিপিএ)। সরকারি পার্কে পর্যাপ্ত বিনিয়োগ না আসা সত্ত্বেও বেসরকারি পার্কের অনুমোদন দেয়ায় প্রশ্ন তুলেছেন খাতসংশ্লিষ্টরা। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ব্যবসায়িক সুবিধা ও কর রেয়াত পেতে হাই-টেক পার্ক ঘোষণায় আগ্রহী বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো।

তথ্য ও প্রযুক্তি খাতের উদ্যোক্তা বিডিজবসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) একেএম ফাহিম মাশরুর বণিক বার্তাকে বলেন, ‘যারা কালো টাকা আয় করে, তারা শিল্পে বিনিয়োগ করলেই চলবে না। বিনিয়োগ প্রকল্প চালানোর সক্ষমতাও থাকতে হবে। দেখা গেল শিল্পে বিনিয়োগ করল, কিন্তু তা টিকিয়ে রাখতে পারল না, এতে করে পুরো টাকাই লস। জমি বা আবাসনের ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করা অর্থ থেকে যাচ্ছে, লসের সম্ভাবনা নেই। আমি মনে করি আবাসন বা যে খাতেই হোক এ সুবিধা থাকা উচিত না। কারণ এটা অনৈতিক।’

সূত্র , বণিক বার্তা